০৪:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ৬ ফাল্গুন ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
রোদ ঝলমলে দিনে নওগাঁয় তাপমাত্রার পারদ ৮ ডিগ্রির ঘরে

মাঘের মাঝামাঝি সময়ে উত্তরের জেলা নওগাঁয় তাপমাত্রার পারদ নেমেছে ৮ ডিগ্রির ঘরে। তবে সকাল থেকেই কুয়াশা দাপট না থাকলেও কনকনে শীতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে নওগাঁর জনপদের মানুষদের।
রোববার (২৬ জানুয়ারি) সকাল ৯ টায় নওগাঁয় সর্বম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। যা এই মৌসুমে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এর আগে গতকাল শনিবার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
স্থানীয়রা জানান- আজ রোববার সকাল থেকেই ভোরেই কুয়াশা ও মেঘমুক্ত আকাশে উঠতে দেখা গেছে সূর্য। তবে হিমেল হাওয়ায় কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে। গত দুইদিন থেকে সূর্যের দেখা মিলছে। কিন্তু সূর্যের খুব একটা উত্তাপ থাকে না। আবারও বিকেল হতেই তাপমাত্রা নিম্নগামী হওয়া শুরু করে। রাতের বেলায় মনে হয় তাপমাত্রা জিরোতে নেমে আসে। রাত বাড়তে থাকলে শীতও বাড়ে সমানতালে।
এদিকে কনকনে এই শীতে বিপাকে পড়তে হচ্ছে নিম্নআয়ের ও কৃষিজীবি মানুষকে। জীবিকার তাগিদে সকাল হলেই এসব মানুষ মোটা গরম কাপড় পড়ে কেউ সাইকেল নিয়ে আবার কেউ পায়ে হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েন। এছাড়াও নওগাঁতে এখন চলছে বোরো ধান রোপণের ভরা মৌসুম। এই শীতের কারনে ধারন রোপনে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে।
বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকার আরেক রিকশাচালক জব্বার বলেন, আজকে সকাল থেকেই কুয়াশা কম। তবে কিছুটা বাতাস হচ্ছে। এই কারণে শরীরের ভিতরে শীত লাগে। সকাল আরও বিকেলের পর থেকে শীত পড়ে বেশি। তখন রিকশা চালানো খুব সমস্যা হয়েে পড়ে।
সদর উপজেলার শৈলগাছী ইউনিয়নের ফিরোজ হোসেন হোসেন, গত দুই দিন থেকেই রোদ বের হচ্ছে। তবে সকালে জমিতে নামা যায় না। পানিতে পা দিলে মনে হয় হাত-পা বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে যায়। আর এখন ধান লাগানোর কাজ চলছে। এই ঠান্ডায় সকাল ৮ থেকে ৯টা পর্যন্ত কাজে নামাই যায় না।
নওগাঁর বদলগাছী কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, আকাশে মেঘ না থাকায় আজ কুয়াশার পরিমাণ কম ছিল। একই সঙ্গে সূর্যের দেখাও মিলেছে। তবে কুয়াশা না থাকলেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছে নওগাঁয়।
বাখ//এস